নাটোরের লেখকদের এতো বই কেউ দেখেনি আগে

নাটোর অফিস॥ এক স্টলে নাটোরের লেখকদের এত বই এর আগে দেখেনি নাটোরের কেউ। কবিতা, ছড়া, গল্প, সাসপেন্সসহ বিভিন্ন বই যে নাটোরের লেখকরা লিখেছেন, তা জানতেন না অনেকেই।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নাটোর প্রেসক্লাবের বিপরীতে উন্মুক্ত স্থানে একদিনের এই বইমেলায় স্থানীয় লেখক, ছড়া ও গল্পকার, প্রবন্ধ লেখক, চিত্রশিল্পি, শিক্ষাবিদ, রাজনীতিক, সাংবাদিকসহ সকল শ্রেণীর মানুষের উপস্থিতিতে উদ্বোধনের পর পাঠকের ঢল নামে কানাইখালীর পথবইমেলায়। ‘লেখক পাঠক বই, একত্রিত হই’ শ্লোগানে মেলায় নাটোরের ৩০ জন লেখকের শতাধিক বই অটোগ্রাফসহ বিক্রি ও প্রদর্শিত হয়। মেলা চলবে রাত্রি নয়টা পর্যন্ত। বইমেলার স্থান নির্ধারণে বৈচিত্র্য আনায় আয়োজক প্রতিষ্ঠানের ভুয়সী প্রশংসা করেন উপস্থিত গুণীজনরা।

মেলায় নাটোরের লেখকদের মধ্যে এম আসলাম লিটন, কামাল খাঁ, শিবশঙ্কর পাল, রিপন মাহমুদ, বদরে মুনীর, শামীম সাইদ, রফিকুল কাদির, আতোয়ার হোসেন, জাহিদুল মাসুদ, আশীক রহমান, গণেশ পাল, মুজিবুল হক শাওন, কার্তিক উদাস, আসাদ জামানসহ প্রমুখ বিশিষ্টজন উপস্থিত ছিলেন।

গুণীজনরা বলেন, নাটোরের এই পথ বইমেলা সম্ভবত বাংলাদেশে প্রথম আয়োজন করা হয়েছে। স্থানীয় চিত্রশিল্পি, লেখক, কথা সাহিত্যিক, ছড়া ও গল্পকার এবং নাট্য ব্যক্তিত্ব বিশিষ্ট গুণীজনরা যে চা চত্বরে বসে আড্ডা দিয়েছেন, সেখানেই তৈরি করেছেন নতুন নতুন গল্প, ছড়া, প্রবন্ধ, শিল্প ও সাহিত্যের মননশীল চর্চা করেছেন, সেই জায়গাটিকে ঘিরেই এই পথ বই মেলার আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়। এই খোলা মেলা পথ বইমেলার আয়োজনই প্রথম আনন্দ, প্রথম উচ্ছাস এবং প্রথম ভালবাসা। এই আয়োজন সামান্য হলেও নাটোরের বিদগ্ধ পাঠককুলকে নাড়া দিয়েছে। এই আয়োজন সফল হয়েছে। এই উদ্যোগ প্রথমবারের মতো নাটোরের লেখক-কবি-সাহিত্যিকদের বইগুলো একত্রিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। এই পথ বই মেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে আগামী দিনেও এর ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে তারা বিশ্বাস করেন।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published.